Master-Disciple Dialogue – The Real Purpose of Practising Kriya

This Article was Published in the First Digital Edition of Anweshan

Anweshan January 2020 EditionThe Kriyabans have to strengthen the belief that for some reason we are born as per the will of the Creator. Many Kriyabans say that though they are practicing Kriya daily, yet they are not feeling motivated or inspired. Actually, the fact is, Kriya is not a tool for personal fulfillment or liberation. This method is an effort to “bring the divine power, light, and consciousness into you, and to elevate yourself to a superhuman state”. – (Sri Aurobindo)

Among the core principles of yoga, the most important are faith, deep yearning, complete submission, and non-possessiveness. The state of the physical beings of the world is ready for evolution, but the being wants to remain within its limits. He forgets the reason for his birth due to the influence of Maya. He wants to be a slave to arrogance and powers. Every human seeks happiness in life, and this very desire attracts grief and sorrows.

Kriyabans should aim towards divine consciousness. If a divinity-intoxicated mind maintains its perpetuity, the divine knowledge will manifest. One must try to rise above conditioning, bargaining, and vanity while maintaining one’s faith; the tendency to evaluate the work of others as a judge or critic must be abandoned. The reason why you have received kriya should be remembered, and with the help of kriya, you should try to elevate your consciousness towards the divine consciousness.

The person who says these things to the people is the “Guru”, and the people who are influenced by hearing these words, are the disciples. The Guru is strongly connected with the disciple. One of the first conditions in a guru-disciple relationship is obedience. The “I” is the ego consciousness that keeps the disciple away from the divine knowledge. In this state, it’s not possible for the disciple to understand what it means to be obedient. Egoism is the covering of the soul that creates a misconception about oneself and the world and veils the pure consciousness.

One of the important qualities of a disciple is being obedient to the Guru. The concept of obedience does not make sense to many. For many, being obedient means constriction. What exactly is obedience? This means stripping the restless mind of its day-long external activities, abstaining from bad habits, and finally becoming rooted to the right goals.

To be a true disciple, you have to surrender your restless mind and eccentric desires to the Guru. At the time of the kriya initiation, the disciple pledges, “I will obey these laws with all my heart”, but one’s ego does not always comply with this discipline. If these methods (kriya) are practiced every day as instructed by the Guru, the outlook of the kriyaban begins to become pure. Now he is no longer attached to the thoughts and actions that led him to make a mistake; he can easily distinguish between good and evil. The Guru always keeps his watchful eyes on his disciple. At the appropriate time, he instructs his disciple to proceed as per his own thoughts.

In this way, the transformed disciple is filled with reverence, strength, and humility. Learning to respect someone, brings reverence, and this reverence leads to humility.

When a kriyaban learns to respect the Guru as a representative of God, and man as an image of God, it’s then that the spiritual prosperity of the kriyaban begins to flourish.

The method given by Gurudeva should be practiced with reverence and faith. At first, many people may not be able to do kriya properly but practicing with moderation gives results. Many kriyabans / devotees think that just merely taking initiation or following the Guru makes them entitled to Guru’s grace, and the Guru will do everything for them on their behalf. Our ancient scriptures have explained this to the seeker very beautifully by clearing this misconception. To attain spiritual strength, a seeker or devotee needs to make a quarter of an effort, while another one more portion can be received as a grace of the Guru, but for the complete fulfillment of one’s spiritual goal, God’s blessing is necessary. As a result of a yogi or sadhak’s efforts, and with an equal share of Guru’s grace, only 50% or half perfection can be attained. To attain complete perfection in one’s journey towards the attainment of the divine goal, it needs to be a combination of blessings of both the Guru and God.

Similar to God, the power of Guru is omnipresent. He is omniscient and knows what every devotee, disciple, and kriyaban thinks. Gurudeva used to say, “I’m not able to mentally associate well with reluctant kriyabans, but those who have given me the right to govern them or aspire for my advice, I always remain associated with them.”. Being always connected with the disciple, the Guru can see everything including the past and future of the disciple and hence guides him/her accordingly. This guidance is possible with the help of spiritual powers; the Guru uses the spiritual powers of his soul for the welfare of the disciple.

If the disciple wants to be a receiver of the power transmitted by the guru, then he must remain pure, inquisitive, and diligent. When the Guru and the disciple become enlightened, their spiritual knowledge becomes fully illuminated. Such people become real gurus and disciples.

The power of the Guru is all-pervading. It is not that the teachings imparted by the Guru are only helpful in different circumstances, or the effect of his blessings is transient, the disciples can experience the presence of the power of Guru, forever, by his will.

At the time of kriya initiation, divine power is exchanged between the master and the disciple. In between this exchange, there is eternal love and obedience along with a condition, and that condition is agreeing to the continuous practice of kriya, which establishes a strong bond of consciousness between the master and the disciple.

Original Article as written in Bengali by Gurudev:

ক্রিয়াবানদের এই বিশ্বাস দৃঢ় করতে হবে যে সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় কোন কারনে আমরা জন্ম নিয়েছি। ক্রিয়াবানদের মধ্যে অনেকে বলে – রোজই তো করছি, কিন্তু কোন প্রেরণা পাচ্ছিনা। আসলে সাধারন ভাবে ক্রিয়াযোগ কোন ব্যক্তিগত সিদ্ধি বা মুক্তির জন্য নয় এই পদ্ধতি হচ্ছে “ভগবানের শক্তি, আলো ও চেতনা নামিয়ে এনে অতিমানবিক অবস্থায় পৌঁছাবার চেষ্টা করা”(শ্রীঅরবিন্দ)।

যোগের মূল নীতি যা বলা আছে – তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে বিশ্বাস, ব্যাকুল ইচ্ছা, সমর্পণ আর অপরিগ্রহীতা। সমস্ত জগতের দেহধারী অবস্থা বিবর্তনের জন্য প্রস্তুত হয়েই আসে, কিন্তু জীব তার নিজস্ব গণ্ডির মধ্যেই থাকতে চায়; যে কারনে সে জন্মালো – মায়ার আবেশে সেসব সে ভুলে যায়। সে অহংকারী ও ক্ষমতার দাস হয়েই থাকতে চায়। প্রত্যেক মানুষই চায় সুখ, আর এই চাহিদা থেকেই আসে শোক ও দুঃখ।

ক্রিয়াবানের লক্ষ্য রাখা উচিত দিব্যচেতনার দিকে। দিব্যভাবে ভাবিত মন সততাকে বজায় রাখলে দিব্যজ্ঞানের উদ্ভব হয়। নিজের বিশ্বাস বজায় রেখে কোন শর্ত, দরাদরি বা ভনিতার উর্ধ্বে ওঠার চেষ্টা করতে হবে; অপরে কি করছে ভেবে নিজেকে বিচারক হওয়ার বা সমালোচনা করবার ইচ্ছা ত্যাগ করতে হবে। যে কারনে ক্রিয়া যোগের সন্ধান পেয়েছ, তার সাহায্যে আত্মচেতনাকে দিব্যভাবের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করো।

এই সব কথা যিনি মানুষকে বলেন তিনি হলেন ‘গুরু’, যারা এই সব কথা শুনে প্রভাবিত হন তারা হচ্ছে শিষ্য। গুরু শিষ্যের সম্বন্ধে ওতপ্রতোভাবে যুক্ত। গুরু ও শিষ্যের মধ্যে প্রথম যে শর্ত থাকা উচিৎ তা হলো আনুগত্য। আমি অর্থাৎ অহংকারী চেতনা যা দিব্যজ্ঞানের থেকে শিষ্যকে দূরে রাখে, সে অনুগত হওয়া কি বুঝতে পারে না। আমিত্ব হচ্ছে আত্মার এক আবরণ – যা নিজের ও বিশ্বের সম্বন্ধে এক ভুল ধারণা তৈরী করে ও শুদ্ধ চৈতন্যকে ঢেকে রাখে।

শিষ্যত্বের এক গুরুত্বপূর্ণ গুন হচ্ছে গুরুর প্রতি অনুগত থাকা। অনুগত জিনিসটা ঠিক কি এই ধারণাটাই অনেকের বোধে আসে না। অনেকে অনুগত হওয়া মানে সঙ্কীর্ণতা ভাবে। আনুগত্য সঠিক কি? এর উত্তর হচ্ছে বিক্ষিপ্ত মন, সারাদিনের বাহ্যিক কর্মের চেষ্টা ও কুঅভ্যাসকে ত্যাগ করে সঠিক লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।

সঠিক শিষ্য হতে চাইলে বিক্ষিপ্ত ভাবনা ও নিজের খামখেয়ালি ইচ্ছাকে গুরুর কাছে সমর্পণ করতে হবে। ক্রিয়াদান করার সময় প্রতিজ্ঞা করানো হয় এইসব “আমি মেনে চলব”, কিন্তু অহংকার এই অনুশাসন সব সময় মেনে চলতে দেয় না। গুরুর নির্দেশ মত প্রত্যহ যদি এসব পদ্ধতি অভ্যাস করা হয় তবে ক্রিয়াবানের মানসদৃষ্টি স্বচ্ছ হতে শুরু করে। যে সমস্ত চিন্তাভাবনা বা কর্মে তার ভুল হতো, এখন সে সেই সমস্ত ঘটনায় আর যুক্ত হয় না; ভালো ও মন্দের তফাৎ সে সহজেই করতে পারে। গুরুদেব সব সময়েই শিষ্যকে নজর রাখেন। উপযুক্ত সময়ই তাঁকে নির্দেশ দেন নিজস্ব চিন্তাধারায় এগিয়ে চলতে।

রূপান্তরিত শিষ্য এই ভাবে শ্রদ্ধাযুক্ত, মহৎ ও নম্র হয়। কাউকে সম্মান করতে শিখলে আসে শ্রদ্ধা, আর এই শ্রদ্ধা’ই আনে নম্রতা।

ক্রিয়াবান যখন গুরুকে ঈশ্বরের প্রতিনিধিরূপে এবং মানুষকে তাঁর প্রতিকৃতি হিসাবে সম্মান জানাতে শিখবে, তখন থেকে ক্রিয়াবানের আধ্যাত্মিক উন্নতিলাভ হতে আরম্ভ করে।

গুরুদেবের দেওয়া পদ্ধতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস নিয়ে অভ্যাস করতে হবে। প্রথম প্রথম হয়ত অনেকের সঠিক ভাবে হবেনা, তবে সংযমের সাথে অভ্যাসে ফল পাওয়া যায়। ক্রিয়াবানরা / ভক্তরা অনেকেই ভাবেন গুরুকরন করা মানেই সবই তিনি কৃপা করে করে দেবেন। শাস্ত্রবাক্য সুন্দর ভাবে এটা সাধককে বুঝিয়ে দিয়েছেন আধ্যাত্মশক্তি লাভ করতে গেলে একজন সাধক বা ভক্তের এক চতুর্থাংশ চেষ্টা থাকতে হবে গুরুর কৃপা হিসাবে আরও এক ভাগ পাওয়া যেতে পারে কিন্তু পূর্ণতা প্রাপ্ত হতে গেলে ভগবানের আশীর্বাদ পেতে হবে। যোগীর প্রচেষ্টার ফল ও সমপরিমাণ গুরুকৃপার ফলে অর্ধেক পূর্ণতা আসে। ভগবান ও গুরুর মিলিত আশীর্বাদেই আসে পূর্ণতা।

ভগবানের মত গুরুশক্তিও সব স্থানে বিরাজমান। প্রতিটি ভক্ত, শিষ্য ও ক্রিয়াবানের মনের কথা তিনি জানেন। গুরুদেব বলতেন অনিচ্ছুক ক্রিয়াবানদের সঙ্গে আমি সঠিক ভাবে যুক্ত হতে পারি না, কিন্তু যারা আমাকে তাদের শাসন করার অধিকার দিয়েছে বা আমার পরামর্শ চায় আমি তাদের সঙ্গে আপনা থেকেই সবসময় যুক্ত হয়ে থাকি। গুরু শিষ্যের সঙ্গে সব সময় যুক্ত থাকার ফলে ভূত ভবিষ্যৎ তিনি জানতে পারেন সেই মত শিষ্যকে পরিচালনা করেন। এই পরিচালনা হয় আত্মার শক্তির সাহায্যে, গুরু তাঁর শক্তির(আত্মার) ব্যবহার করেন শিষ্যের জন্য।

শিষ্য, সঞ্চারিত গুরু শক্তির আধার হতে চাইলে তাকে পবিত্র, জানার ইচ্ছা ও অধ্যবসায়ে থাকতেই হবে। যখন গুরু ও শিষ্য আশ্চর্য ভাবের অধিকারী ও আত্মজ্ঞানী হন, তখনই আধ্যাত্মিক ভাব চরমে প্রকাশ পায়। এরূপ মানুষই প্রকৃত গুরু ও শিষ্য হন।

গুরুশক্তি সবযায়গাতেই প্রকাশ পায়। তাঁর শিক্ষার বিষয়, নানারকম ভাবে সাহায্য ও তাঁর আশীর্বাদ শুধুমাত্র সাময়িক ভাবে কাজ করে তা নয়, শিষ্যের ইচ্ছায় চিরকাল তার অনুভূতিতে গুরু শক্তির প্রকাশ সে অনুভব করে। ক্রিয়াযোগ দীক্ষার সময় থেকে গুরু ও শিষ্যের মধ্যে এক ঐশ্বরিক ক্ষমতার আদান প্রদান হয়, এই আদান প্রদানের মধ্যে যেমন থাকে চিরন্তন ভালোবাসা ও আনুগত্য, তেমনি থাকে শর্ত, যে শর্ত অভ্যাসের ফলে গুরু ও শিষ্যের মধ্যে স্থাপিত হয় এক চেতনাশক্তির সম্বন্ধ।

3 Replies to “Master-Disciple Dialogue – The Real Purpose of Practising Kriya”

  1. Creme de la creme of the entire spiritual quest has been eleborated in simple paragraphs. Worthy reading. Many questions answered. I read it and got to know……Just do it. and Do it………No questions asked.
    I have not seen God, but with my human eyes he is visible. I cannot win his heart…….So meagre I am….I means I………which is the only obstacle ……could not omit……..Only your blessing can remove this alter-ego………My deep desire met me with him…Mind mind was instructed by the omnipresent and directed to take Kriya……

    But moreover, Gurudeva is the key to the divinity….that he gifted a divine prize to a minuscule, unknown, unworthy being……….like myself.

    Jay Jay Gurudeva. I bow my soul to your lotus feet. Bless me bless all. Om Gurabe namah.

  2. Yes yes yes… It’s a pure essence of Devine feeling. Pranam BABA. This article is comparable with valuable gemstones. So compact writing about the relationship, behaviour, blessings etc of Guru and disciple. A disciple can get many answers of their quest. I am very happy to read this. Please accept my Pranam to your Lotus Feet.

Leave a Reply

Your email address will not be published.